ইয়াওমুল খামিছ (বৃহস্পতিবার), ২৮ মে ২০২০

‘পুঁজিবাজারে বিনিয়োগকারীদেরও জীবন-জীবিকা আছে’

নিজস্ব প্রতিবেদক: পুঁজিবাজারের ৩০ লাখ বিনিয়োগকারীর জীবন-জীবিকা আছে উল্লেখ করে ঈদের আগে লেনদেন চালু করার দাবি জানিয়েছেন ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) পরিচালক রকিবুর রহমান। গত সোমবার এক ই বার্তায় তিনি এ দাবী জানান।
রকিবুর রহমান বলেন, বিশ্বের যে দেশেই লকডাউন হয়েছে, সেই দেশে শেয়ারবাজার খুলে দেয়া হয়েছে। চীন বলেন, আমেরিকা বলেন শেয়ারবাজার খোলা। তিনি বলেন, ঈদের আগে পুঁজিবাজার না খুললে একটি ভুল বার্তা যাবে। বিনিয়োগকারীরা হতাশ হবেন। বাইরের বিনিয়োগকারীরা হতাশ হবেন। আমরা যে বৈশ্বিক পুঁজিবাজারের সঙ্গে জড়িত, সেখানে আমাদের সম্পর্কে ভালো ধারণা থাকবে না।

ডিএসইর এ পরিচালক বলেন, সব জায়গায় ব্যাংক খুলে দেয়া হয়েছে। আমি খোঁজ নিয়ে দেখেছি, প্রতিটি ব্রাঞ্চের ৫০ শতাংশ স্টাফদের আসতে বলা হয়েছে। ৫০ শতাংশ স্টাফ আসলে তাতে ৩০-৪০ জনের কম হয় না। সকালে ব্যাংকে দেখা যায় প্রচুর ভিড়।
তিনি বলেন, পুঁজিবাজারে বিনিয়োগকারী বিনিয়োগ করেন। সুতারাং অপশন থাকতে হবে, যখন খুশি বিনিয়োগকারী বিক্রি করবেন, অথবা কিনবেন। পুঁজিবাজার কি গুরুত্বপূর্ণ না? ৩০ লাখ বিনিয়োগকারী, সামনে ঈদ। প্রয়োজন হলে একজন শেয়ার বিক্রি করে টাকা উঠিয়ে নেবেন। আবার অন্যজন প্রয়োজন অনুযায়ী শেয়ার কিনবেন।

কিছুদিন আগে ডিএসই সব প্রস্তুতি নিয়ে শেয়ারবাজারে লেনদেন করার জন্য বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনে (বিএসইসি) সম্মতি চেয়ে চিঠি পাঠিয়েছে। যেহেতু বিএসইসির এই মুহূর্তে কমিশন সভা করার সুযোগ নেই, এ জন্য তা অর্থ মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছে। আবার অর্থ মন্ত্রণালয় মতামত নেয়ার জন্য পাঠিয়েছে জন প্রশাসন মন্ত্রণালয়ে। এটা আমার কাছে অবাক লাগছে। এটা কি এ ধরনের আলোচনার বিষয়?’ যোগ করেন রকিবুর রহমান।

তিনি বলেন, শেয়ারবাজারে লেনদেন হবে ইলেকট্রনিক মাধ্যমে। একটি ব্রাঞ্চ চালাতে ব্যাংকের মতো অত স্টাফ লাগে না। একটি ব্রাঞ্চে জন্য দুই-তিন জন হলেই যথেষ্ট। সিডিবিএল রেডি, ডিএসই রেডি, বিএসইসির সার্ভিলেন্স রেডি। লোক তো লাগে না কোথাও। বিনিয়োগকারীরা মোবাইলের মাধ্যমে, ই-মেইলের মাধ্যমে, অ্যাপসের মাধ্যমে লেনদেনের অর্ডার দেয়। আমাদের কোনো বিনিয়োগকারী আমাদের অফিসে আসে না। চেক দেয়ার জন্যও না, চেক নেয়ার জন্যও না।

ডিএসইর পরিচালক বলেন, গত কয়েক বছর ধরে আমাদের অর্থনীতি ভারতের থেকেও দ্রুতগতিতে এগিয়ে যাচ্ছে। ৮ শতাংশের বেশি জিডিপি। অথচ ভারত তার পুঁজিবাজার খোলা রাখছে। আর আমি পারছি না। ভয়টা কী? আপনি গার্মেন্ট খুলেছেন। গার্মেন্টে হাজার হাজার কর্মী। দোকানপাট খুলে দিয়েছেন। জীবন ও জীবিকার জন্য খুলেছেন।

তিনি বলেন, তাহলে স্টক এক্সচেঞ্জের যারা বিনিয়োগকারী আছেন, তাদেরও তো জীবিকা ও জীবন আছে। তাদেরও তো টাকার প্রয়োজন হতে পারে। সব থেকে বড় কথা স্টক এক্সচেঞ্জে এখন আসতে হয় না। এই সিদ্ধান্ত নিতে আমি অর্থমন্ত্রীকে অনুরোধ করব। আপনি তো অভিজ্ঞ। এ

Facebook Comments