ইয়াওমুল খামিছ (বৃহস্পতিবার), ২৮ মে ২০২০

‘দরিদ্রদের জন্য মাসে প্রয়োজন ১১ হাজার কোটি টাকা’

নিজস্ব প্রতিবেদক: লকডাউনের কারণে স্বল্প আয়ের মানুষের আয় তলানিতে নেমেছে। তাদের সহায়তা করতে মাসে প্রায় ১১ হাজার কোটি টাকার প্রয়োজন বলে জানিয়েছে বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান পিপিআরসি) ও বিআইজিডি। তাদের এক যৌথ গবেষণায় এই তথ্য উঠে এসেছে।

গবেষণায় বলা হয়, গ্রামাঞ্চলের দরিদ্র এবং লকডাউনের কারণে ‘নতুন দরিদ্র’ মানুষকে প্রতি মাসে মাথাপিছু এক হাজার ৪৫০ টাকা এবং শহরের দরিদ্র মানুষকে মাথাপিছু মাসে এক হাজার ৭৪৫ টাকা দিলে সব মিলিয়ে প্রতি মাসে ১০ হাজার ৯৪৮ কোটি টাকার প্রয়োজন। গ্রাম এবং শহর মিলিয়ে দরিদ্র আছে ৩ কোটি ৩০ লাখ ৭৭ হাজার ৯৮৮ জন এবং ‘নতুন দরিদ্র’ আছে ৩ কোটি ৬৯ লাখ ৪৪ হাজার ৮৫৮ জন।

গবেষণা প্রতিষ্ঠানের হোসেন জিল্লুর রহমান বলেন, ‘নতুন’ দরিদ্র এবং দরিদ্র মিলে সারাদেশে প্রায় ৭ কোটি মানুষ আছেন। এসব মানুষের জন্য মাসে মাসে প্রায় ১১ হাজার কোটি টাকার প্রয়োজন। এই অর্থ দরিদ্র ও নতুন দরিদ্রদের জন্য সামাজিক নিরাপত্তা সহায়তায় ব্যয় হওয়া প্রয়োজন। তিন আরও বলেন, প্রথাগত সহায়তা কর্মসূচিতে দূর করা সম্ভব না।

গবেষণায় আরও বলা হয়, লকডাউনের কারণে দরিদ্র মানুষের মধ্যে যারা গ্রামে আছেন, তাদের ৬৭ শতাংশের নগদ ও ৭০ শতাংশের খাদ্য সহায়তা দরকার। আর শহরের বস্তিবাসীর ৭০ শতাংশের নগদ ও ৭৮ শতাংশের খাদ্য সহায়তা দরকার। গত ফেব্রুয়ারি মাসের তুলনায় এপ্রিল মাসে অতি গরিব, গরিব, গরিব হয়ে যাওয়ার ঝুঁকির মধ্যে থাকা মানুষ এবং গরিব নয় এমন মানুষের আয় দৈনিক আয় ৬৫ থেকে ৭৫ শতাংশ কমেছে।

আলোচনায় বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ও বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) চেয়ারম্যান রেহমান সোবহান বলেন, দারিদ্র্য বেড়েছে। মানুষ নতুন করে গরিব হচ্ছে। এটা বেশ উদ্বেগজনক। কোভিড টেকসই জীবনযাপনের ওপর প্রভাব ফেলছে।

Facebook Comments