ইয়াওমুল আহাদ (রবিবার), ২০ সেপ্টেম্বর ২০২০

৯টি বিশেষ ধরনের সাঁজোয়া যান পাচ্ছে বিজিবি

মিথ্যাচার সংবাদের কড়া প্রতিবাদ জানিয়েছে বিজিবি

নিজস্ব প্রতিবেদক : জরুরি প্রয়োজনে বর্ডারগার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সদস্যদের এক স্থান থেকে অন্য স্থানে যাওয়ার জন্য বিশেষ ধরনের নয়টি সাঁজোয়াযুক্ত যানবাহন কিনছে সরকার। এসব সাঁজোয়া যান কিনতে সরকারের ব্যয় হবে ৫৪ কোটি ১০ লাখ টাকা। অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, আর্মার্ড পার্সোনেল ক্যারিয়ার বা এপিসি হচ্ছে এক ধরনের সাঁজোয়া যান। এটি যুদ্ধে ব্যবহৃত একপ্রকার অস্ত্রসজ্জিত যানবাহন, যা মূলত পদাতিক বাহিনীকে যুদ্ধের ময়দানে পৌঁছে দিতে ও নিয়ে আসতে ব্যবহৃত হয় কিংবা অন্য কোনো জরুরি কাজেও এটি ব্যবহৃত হয়।

একইভাবে রায়ট কন্ট্রোল ভেহিকেলও হচ্ছে এক ধরনের বিশেষ যানবাহন। যা কোনো সংঘর্ষ নিয়ন্ত্রণের কাজে ব্যবহৃত হয়। সম্প্রতি এসব যানবাহন ক্রয়ে সম্মতি জ্ঞাপন করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিবের কাছে চিঠি পাঠিয়েছে অর্থ বিভাগ।

অর্থ বিভাগের উপসচিব মো. মাহফুজুল আলম খান স্বাক্ষরিত চিঠিতে বলা হয়, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুপরিশের ভিত্তিতে বর্ডারগার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) অনুকূলে চলতি (২০১৯-২০) অর্থবছরে মোটরযান ক্রয়খাতে পুনঃউপযোজনকৃত অর্থ হতে আরও আর্মার্ড পার্সোনেল ক্যারিয়ার (এপিসি) এবং রায়ট কন্ট্রোল ভেহিকেল ক্রয়ে অর্থ বিভাগের সম্মতি নির্দেশক্রমে জ্ঞাপন করা হলো।

আরও বলা হয়, প্রতিটি আর্মার্ড পার্সোনেল ক্যারিয়ার দাম ৬ কোটি ২০ লাখ টাকা হবে। আর চারটি আর্মার্ড পার্সোনেল ক্যারিয়ার ক্রয়ে খরচ হবে ২৪ কোটি ৮০ লাখ টাকা। একইভাবে প্রতিটি রায়ট কন্ট্রোল ভেহিকেলের দাম পড়বে ৫ কোটি ৮৬ লাখ টাকা। সে হিসাবে ৫টি রায়ট কন্ট্রোল ভেহিকেল কিনতে খরচ দাঁড়াবে ২৯ কোটি ৩০ লাখ টাকা।

এসব যানবাহন ক্রয়ে চারটি শর্তও জুড়ে দেয় অর্থ বিভাগ। শর্ত হচ্ছে- অর্থ বিভাগের নির্ধারিত দরে যানবাহন ক্রয় করতে হবে। এ বিষয়ে আবশ্যিক সব বিধি-বিধান ও আর্থিক নিয়মানুগতা যথাযথভাবে পালন করতে হেব। ক্রয়ের ক্ষেত্রে পিপিএ-২০০৬ এবং পিপিআর-২০০৮ যথাযথভাবে অনুসরণ করতে হবে। একইসঙ্গে এক্ষেত্রে অতিরিক্ত বরাদ্দ চাওয়া যাবে না।

Facebook Comments