ইয়াওমুল জুমুআ (শুক্রবার), ০৩ এপ্রিল ২০২০

নওগাঁয় বারোমাসি তরমুজ চাষে সাফল্য

নওগাঁয় বারোমাসি তরমুজ চাষে সাফল্য

নওগাঁ সংবাদদাতা: বরেন্দ্র ও খরা অঞ্চল নওগাঁয় বারোমাসি তরমুজ চাষ শুরু হয়েছে। শহরের কোমাইগাড়ী এলাকার জেলখানার পূর্ব দেয়াল ঘেঁষে দুই বিঘা জমি তিন বছরের জন্য লিজ নিয়ে প্রথমবারের মতো বারোমাসি হাইব্রিড বøাক কুইন জাতের তরমুজ চাষ শুরু করে কৃষিভিত্তিক প্রতিষ্ঠান আল আমিন এগ্রো। তরমুজ চাষে লাভের মুখ দেখেছে প্রতিষ্ঠানটি।

প্রতিটি তরমুজের ওজন আড়াই থেকে চার কেজি। তরমুজের বাইরের অংশ কালো হলেও ভেতরে টকটকে লাল ও মিষ্টি। বাজারে এর চাহিদাও প্রচুর। সারা বছর পাওয়া যায় এই তরমুজ।

কৃষি বিভাগ বলছে, নওগাঁ খরা ও বরেন্দ্র জেলা হওয়ায় পানি সাশ্রয়ের জন্য এই তরমুজ চাষ শুরু করা হয়েছে। জানা গেছে, চলতি বছর দুই বিঘা জমি তিন বছরের জন্য লিজ নেওয়া হয় ৪৫ হাজার টাকায়। আর ওই জমিতে মাচা তৈরি করে গত এপ্রিল মাসে সেখানে বøাক কুইন নামে বারোমাসি তরমুজের চারা রোপণ করা হয়। আগস্ট মাসে তরমুজ তোলা হয়। শীত শেষে আগামী ফেব্রæয়ারি মাসে আবার সেখানে তরমুজ চাষ শুরু হবে।

তরমুজ কিনতে আসা একজন পাইকার বলেন, এখানকার তরমুজ সুস্বাদু ও মিষ্টি। বাজারে চাহিদা থাকায় লাভ ভালো হয়। প্রতি কেজি তরমুজ পাইকারি ২০ থেকে ৩০ টাকা কিনে বাজারে খুচরা বিক্রি হয় ৫০ থেকে ৫৫ টাকা।

আল আমিন এগ্রোর ম্যানেজার আজিজুর রহমান বলেন, চারা কেনা,পরিচর্যা, মাচা তৈরি, কর্মচারীদের বেতনসহ মোট খরচ হয়েছে ১ লাখ ৪০ হাজার টাকা। সব মিলিয়ে জমি থেকে দুই মাসে তরমুজ চাষ করে প্রায় তিন লাখ টাকা লাভ করা সম্ভব।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের অতিরিক্ত উপ-পরিচালক আহসান শহীদ সরকার বলেন, খরা ও বরেন্দ্র জেলা হওয়ায় পানি সাশ্রয়ের জন্য এই তরমুজ চাষ শুরু করা হয়েছে। বারোমাসি হাইব্রিড বøাক কুইন জাতের তরমুজ চাষ অত্যন্ত লাভজনক।

Facebook Comments