ইয়াওমুস ছুলাছা (মঙ্গলবার), ১১ আগস্ট ২০২০

দামের সাথে বেড়েছে পেঁয়াজের বীজ ও উৎপাদন ব্যয়

দামের সাথে বেড়েছে পেঁয়াজের বীজ ও উৎপাদন ব্যয়

নিজস্ব প্রতিবেদক: চড়ামূল্যে বীজ কেনাসহ উৎপাদন ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় পেঁয়াজের বর্তমান বাজারদরেও খুশি নন শৃষকরা। তবে লাভবান হচ্ছে আড়ৎদার, পাইকার ও খুচরা ব্যবসায়ীর।

দেশে সবচেয়ে বেশি পেঁয়াজ উৎপাদন হয় পাবনা জেলায়। এ অঞ্চলে এবছর বাম্পার ফলন হলেও স্থানীয় হাটে শৃষকরা পেঁয়াজ বিক্রি করছেন ১০০ টাকার মধ্যে। মাঠজুড়ে যেদিকে চোখ যায় শুধু পেঁয়াজের ক্ষেত।

চলতি অর্থবছরের জানুয়ারি পর্যন্ত ১ লাখ ২৩ হাজার হেক্টর জমিতে পেঁয়াজের চাষ হয়েছে। এর মধ্যে মুড়িকাটা পেঁয়াজ আবাদ ৬২ হাজার ৩২৯ হেক্টর জমিতে। বাজারেও নেই সরবরাহ ঘাটতি। তবুও নিয়ন্ত্রণে নেই পেঁয়াজের বাজার।

মানিকগঞ্জেও মুড়িকাটা পেঁয়াজের যথেষ্ট চাষ হয়েছে। এ বছর ফলন ভালো না হলেও স্থানীয় হাটে বিক্রি হচ্ছে ১১৫ টাকা কেজি দরে। পাবনা ও মানিকগঞ্জ থেকে ঢাকার বাজারে পেঁয়াজ আসতে গাড়িভাড়াসহ কেজিপ্রতি খরচ ৫ টাকা। পাইকারের লাভসহ শ্যামবাজারে পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ১২৫ টাকায়। তবে খুচরা বাজারে গিয়ে পেঁয়াজের দাম ঠেকছে ১৫০ টাকায়। অর্থাৎ প্রতি কেজি পেঁয়াজ শ্যামবাজার আড়ত থেকে খুচরা বাজারে যেতে দাম বাড়ছে ২৫ টাকা।

কৃষকরা বলছেন, এক মণ পেঁয়াজ ৪ হাজার টাকার নিচে বিক্রি হলে লোকসানে পড়বেন তারা। অথচ শৃষকের ১১৫ টাকায় বিক্রি করা পেঁয়াজ বিভিন্ন হাত ঘুরে ভোক্তাকে কিনতে হচ্ছে ১৫০ টাকায়। মাঝখানের ৩৫ টাকা যাচ্ছে আড়ৎদার, পাইকার আর খুচরা ব্যবসায়ীর পকেটে।

কৃষকদের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিতের পাশাপাশি ভোক্তারা যাতে কম দামে পণ্য কিনতে পারেন, সেজন্য সরকারি বিভিন্ন সংস্থার নজরদারি বাড়ানোর তাগিদ ভোক্তা অধিকার সংগঠন ক্যাবের। বাণিজ্যমন্ত্রণালয়ের হিসেবে দেশে বছরে পেঁয়াজের চাহিদা ২৪ লাখ টন। উৎপাদন হয় ১৭ লাখ টন। বাকিটা আমদানি হয়।

Facebook Comments