ইয়াওমুল ইসনাইন (সোমবার), ০৬ এপ্রিল ২০২০

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে উন্নত এমবিটি ও এপিসি সরবরাহে আগ্রহী ইউক্রেন

সেনাবাহীনিকে এমবিটি ও এপিসি সরবরাহে আগ্রহী ইউক্রেন

নিউজ ডেস্ক : ২০১০ সালে কয়েকটি দেশ ইউক্রেন থেকে মাঝারি ও ভারি যান কেনার প্রস্তাব দেয়। এর মধ্যে সবচেয়ে বড় প্রস্তাবটি ছিলো থাইল্যান্ড। তারা ৪৯টি অপলট মেইন ব্যাটল ট্যাংক (এমবিটি) কেনে। রাষ্ট্রায়ত্ব অস্ত্র রফতানিকারক প্রতিষ্ঠান ইউক্রোবরোনপ্রম জানায় যে, ইউক্রেন এখনো এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের সাঁজোয়া যান রক্ষণাবেক্ষণ ও আধুনিকায়নের বাজারে নিজের অবস্থান জোরদার করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। সোভিয়েত ও চীনের তৈরি সাঁজোয়া ব্যবস্থা মেরামত ও উন্নত করার জন্য অর্ডার লাভ করার চেষ্টা করছে তারা।

এরই অংশ হিসেবে বাংলাদেশের সাঁজেয়া যান যেমন, এমটিবি-২০০০, টাইপ ৬৯-টু ও টাইপ ৫৯জি এমবিটি এবং বিটিআর-৮০ এপিসি রক্ষণাবেক্ষণ ও উন্নত করার জন্য ইউক্রেন প্রস্তাব পাঠিয়েছে বলে ইউক্রোবরোনপ্রম নিশ্চিত করেছে। ৬টিডি-১ ও ৬টিডি-২ ইঞ্জিন ছাড়া চীনের তৈরি হেভি আর্মার রক্ষণাবেক্ষণ ও আধুনিকায়নের অভিজ্ঞতা নেই ইউক্রেনের প্রতিরক্ষা শিল্পের। এমবিটি-২০০০ ওই ধরনের ইঞ্জিন ব্যবহার করে। অবশ্য এ ধরনের যান উন্নত করার ‘টেকনিক্যাল টার্মস অব রেফারেন্স’ও অর্জন করেনি ইউক্রোবরোনপ্রম।

বাংলাদেশের সাঁজোয়া মেরামত স্থাপনায় পুরনো বিটিআর-৮০ মডেলের যান রক্ষণাবেক্ষণ ও উন্নতকরণ ব্যবস্থা থাকতে পারে। তবে নতুন বিটিআর-৮০-এ আধুনিক সাইটিং সিস্টেম রয়েছে যা ইউক্রেন সংস্কার করতে পারবে না।

ইউক্রোবরোনপ্রম যা করতে পারবে তাহলো টি-৫৪/টি-৫৫ ও টি-৬৪ এমবিটি এবং বিএমপি-১ ইনফেনট্রি ফাইটিং ভেহিকেল (আইএফভি) রক্ষণাবেক্ষণ ও মেরামত। এগুলো সোভিয়েত আমলের এবং এগুলোর খুচরা যন্ত্রাংশ রয়েছে তাদের কাছে। তার নতুন ব্রান্ডের কোন সাঁজোয়া যান সরবরাহ করে না। তবে ট্যাংক ও আইএফভি’র জন্য সাপোর্ট সিস্টেম সরবরাহ করতে পারে।

Facebook Comments