ইয়াওমুল ইসনাইন (সোমবার), ১৬ ডিসেম্বর ২০১৯

আমাজনে অগ্নিসংযোগ করেছে পরিবেশবাদীরাই -ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট

আমাজনে অগ্নিসংযোগ করেছে পরিবেশবাদীরাই

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: সম্প্রতি ‘পৃথিবীর ফুসফুস’ বলে প্রচারিত বিশ্বের সবচেয়ে বড় রেইনফরেস্ট আমাজনে ভয়াবহ অগ্নিকা-ের ঘটনা ঘটে। সেখানে আগুন লাগাতে কথিত পরিবেশবাদী লিওনার্দো ডিক্যাপ্রিও আর্থিক অনুদান দেয় বলে অভিযোগ তুলেছে ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট জায়ের বলসোনারো। গত শুক্রবার (২৯ নভেম্বর) নিজ কার্যালয়ে ডিক্যাপ্রিওর বিরুদ্ধে এ অভিযোগ তোলে ব্রাজিল প্রেসিডেন্ট। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম থেকে এ তথ্য জানা যায়।

বলসোনারো বলেছে, এই লিওনার্দো ডিক্যাপ্রিও খুব ভালো মানুষ, তাই না? আমাজনে আগুন লাগানোর জন্য যে টাকা দেয়।’

এর একদিন আগে গত বৃহস্পতিবার (২৮ নভেম্বর) এক অনলাইন লাইভে ডিক্যাপ্রিও ও আমাজন অগ্নিকা- প্রসঙ্গে ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট বলেছে, আন্তর্জাতিক পরিবেশবাদী সংস্থা ‘ওয়ার্ল্ড ওয়াইল্ডলাইফ ফান্ড’ (ডব্লিউডব্লিউএফ) বেসরকারি দমকল সংস্থাগুলোকে টাকা দেয়, যাতে তারা অগ্নিকা-ের ছবি তোলে।

‘এদিকে ছবির জন্য এনজিওগুলো করলো কী? সবচেয়ে সহজ পন্থা কী? নিজেরাই বনে আগুন লাগাও, ছবি তোলো, ভিডিও বানাও। ব্রাজিলের বিরুদ্ধে প্রচারণা চালাও। সেই ছবি দেখিয়ে ডব্লিউডব্লিউএফ লিওনার্দো ডিক্যাপ্রিওর সঙ্গে যোগাযোগ করে, সে ৫ লাখ ডলার অনুদান দেয়। সেই টাকার একটা অংশ যায়, তাদের কাছে যারা বনে আগুন লাগায়। লিওনার্দো আপনি আমাজনে অগ্নিকা-ে অনুদান দিচ্ছেন। এটা হতে পারে না।’

এরও আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন পোস্টে বলসোনারো মন্তব্য করে, আমাজনে অগ্নিকা-কালে স্বেচ্ছাসেবী দমকলকর্মীদের কাছ থেকে টাকার বিনিময়ে অগ্নিকা-ের ছবি হাতিয়েছে আন্তর্জাতিক পরিবেশবাদী সংস্থা ‘ওয়ার্ল্ড ওয়াইল্ডলাইফ ফান্ড’ (ডব্লিউডব্লিউএফ)। পরবর্তীতে তারা ওইসব ছবি টোপ হিসেবে কাজে লাগিয়ে বিভিন্ন জায়গায় অনুদানের জন্য আবেদন করে। এর মধ্যে ডিক্যাপ্রিও তাদের প্রায় সোয়া চার কোটি টাকা (৫ লাখ মার্কিন ডলার) অনুদান দেয়।

এদিকে অনুদানের উদ্দেশ্যে আমাজনে অগ্নিকা- ঘটানোর অভিযোগে গত মঙ্গলবার বেসরকারি দমকল সংস্থা ‘অল্টার দো শ্যো ফায়ার ব্রিগেড’র চার সদস্যকে গ্রেফতার করে ব্রাজিল পুলিশ। পরবর্তীতে বৃহস্পতিবার বিচারকের নির্দেশে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়।

২১ আগস্ট ফেসবুকে এক লাইভে প্রেসিডেন্ট বলে, সবকিছু এই নির্দেশ করছে যে, বিভিন্ন এনজিও আমাজনে গিয়ে আগুন লাগাচ্ছে।

Facebook Comments