ইয়াওমুস সাবত (শনিবার), ১৫ আগস্ট ২০২০

ঢাকায় চামড়ার দাম আগেরটাই বহাল

ব্যবসায়ীরা কুরবানির চামড়া না কিনলে সরকারি গুদামে সংরক্ষণ

নিজস্ব প্রতিবেদক : পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে সরকার ও ব্যবসায়ীরা মিলে কোরবানির পশুর চামড়ার দাম নির্ধারণ করে দিয়েছে। এবার ঢাকায় প্রতি বর্গফুট গরুর চামড়ার দাম ৪৫-৫০ টাকা এবং ঢাকার বাইরে ৩৫-৪০ টাকা হবে। গত বছর প্রতি বর্গফুটের দাম একই ছিল।

২০১৭ সালে প্রতি বর্গফুট গরুর চামড়ার দাম ছিল ঢাকায় ৪৫-৫৫ টাকা এবং ঢাকার বাইরে ৪০-৪৫ টাকা।
এছাড়া সারাদেশে খাসির চামড়া প্রতি বর্গফুট ১৮-২০ টাকা এবং বকরির চামড়া ১৩-১৫ টাকায় সংগ্রহ করতে বলা হয়েছে ব্যবসায়ীদের। গতবার খাসির চামড়ার দামও ছিল একই। তবে ২০১৭ সালে খাসির চামড়ার দাম ছিল প্রতি বর্গফুট ২০-২২ এবং বকরির চামড়া ১৫-১৭।

মঙ্গলবার সচিবালয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে পশুর চামড়ার দাম নির্ধারণ করতে চামড়া খাতের শিল্পের উদ্যোক্তা, ব্যবসায়ী, রফতানিকারক ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতিনিধিদের নিয়ে বৈঠকে বসেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি। বৈঠক শেষে এ দাম ঘোষণা করেন মন্ত্রী।

বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বাণিজ্যসচিব মো. মফিজুল ইসলাম, অতিরিক্ত সচিব তপন কান্তি ঘোষ, বাংলাদেশ ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিটিএ) সভাপতি শাহীন আহমেদ, হাইড অ্যান্ড স্কিন মার্চেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের (বিএইচএসএমএ) সভাপতি দেলোয়ার হোসেন, ফিনিশড লেদার, লেদারগুডস অ্যান্ড ফুটওয়্যার এক্সপোর্টার অ্যাসোসিয়েশনের (বিএফএলএলএফইএ) সভাপতি মহিউদ্দিন আহমেদ মাহিন ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, আমাদের বাজার দিন দিন ছোট হয়ে যাচ্ছে। আন্তর্জাতিক বাজারে চাহিদাও কমে গেছে। কিন্তু চামড়াজাত পণ্যের দাম বেড়েছে। কোরবানির চামড়া বেচার টাকা কেউ পকেটে করে নিয়ে যায় না। এটা মাদরাসায় দেয়া হয়। আমরা চাইছি চামড়ার দাম বাড়ুক। তবে আমাদের মান বাড়াতে হবে। তাই সব কিছু বিবেচনায় নিয়ে সংশ্লিষ্ট সবার সঙ্গে আলোচনা করে গতবার যে দামে চামড়া বিক্রি হয়েছে এবারও একই দামে চামড়া বিক্রি করা হবে।

ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশনের তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশ থেকে বছরে মোটামুটি ২২ কোটি বর্গফুট চামড়া পাওয়া যায়। এর মধ্যে ৬৪ দশমিক ৮৩ শতাংশ গরুর, ৩১ দশমিক ৮২ শতাংশ ছাগলের, ২ দশমিক ২৫ শতাংশ মহিষের এবং ১ দশমিক ২ শতাংশ ভেড়ার চামড়া। মোট চামড়ার অর্ধেকের বেশি আসে কোরবানির ঈদের সময়।

Facebook Comments