ইয়াওমুল খামিছ (বৃহস্পতিবার), ২১ নভেম্বর ২০১৯

ট্রেনের শিডিউলে চরম বিপর্যয়, ভোগান্তিতে যাত্রীরা

ট্রেনের শিডিউলে চরম বিপর্যয়, ভোগান্তিতে যাত্রীরা

‘বঙ্গবন্ধু সেতু ডাবল লেন না হওয়া পর্যন্ত এই বিপর্যয় থেকে মুক্তি সম্ভব না।
এজন্য আগামী ২০২৩ সাল পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। সেতুর লেন না বাড়িয়ে ট্রেনের সংখ্যা বাড়ালে গতি আরও কমে আসবে। ফলে বিপর্যয় আরও বাড়বে।’ – রেলমন্ত্রী নুরুল হক সুজন

পবিত্র কুরবানী ঈদ উপলক্ষে পরিবারের সঙ্গে ঈদ উদযাপন করতে দুদিন আগেই ঢাকা ছাড়তে শুরু করেন কর্মজীবী মানুষ।

শুক্রবার (৯ আগস্ট) ঈদযাত্রার তৃতীয় দিনে কমলাপুর স্টেশনে ঘরমুখো যাত্রীদের উপচেপড়া ভিড় লক্ষ করা গেছে।

রাজধানীর কমলাপুর রেলস্টেশন থেকে বিভিন্ন গন্তব্যে ছেড়ে যাওয়া ট্রেনগুলো শিডিউল বিপর্যয়ে পড়েছে।

উত্তরাঞ্চলের সব ট্রেনের শিডিউল বিপর্যয়
রাজশাহীগামী ধুমকেতু এক্সপ্রেস শুক্রবার সকাল ছয়টায় ছেড়ে যাওয়ার কথা থাকলেও ট্রেনটি স্টেশনে এসে পৌঁছায় সকাল সোয়া ১০টার পরে এবং ছেড়ে যায় সকাল ১১টায়।

চিলাহাটীগামী নীলসাগর এক্সপ্রেস ট্রেনটি সকাল ৮টায় স্টেশন থেকে ছেড়ে যাওয়ার কথা থাকলেও ছেড়ে যায় বেলা ১২টা ৫ মিনিটে।

রংপুরগামী রংপুর এক্সপ্রেস ট্রেনটি সকাল ৯টায় ছেড়ে যাওয়ার কথা থাকলেও ১২টা পর্যন্ত স্টেশনে এসে পৌঁছায়নি।

দিনাজপুর-পঞ্চগড়গামী একতা এক্সপ্রেস ট্রেনটি কমলাপুর ছেড়ে যাওয়ার সময় ছিল ১০টায়। পরে সেটি স্টেশন ছেড়েছে সকাল সাড়ে ১১টায়।

রংপুর এক্সপ্রেসের যাত্রী বলেন, ‘সকাল ৯টার আগেই স্টেশনে এসে পৌঁছেছি। এখন বেলা ১২টা। সম্ভাব্য সময়ও দেওয়া হয়নি।
দুপুর দুটায়ও ট্রেনে উঠতে পারবো কিনা জানি না। বাচ্চাদের নিয়ে সমস্যায় পড়েছি।’

ক্ষমা চাইলেন রেলমন্ত্রী: ‘কাল থেকে এই সমস্যা হবে না’
শুক্রবার (৯ আগস্ট) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে রেলমন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজন কমলাপুর স্টেশন পরিদর্শনে আসেন।
ট্রেনের শিডিউলে চরম বিপর্যয় এবং যাত্রীদের চরম দুর্ভোগ কষ্ট দেখে ক্ষমা চান।
তিনি বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু সেতু ডাবল লেন না হওয়া পর্যন্ত এই বিপর্যয় থেকে মুক্তি সম্ভব না।
এজন্য আগামী ২০২৩ সাল পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। সেতুর লেন না বাড়িয়ে ট্রেনের সংখ্যা বাড়ালে গতি আরও কমে আসবে। ফলে বিপর্যয় আরও বাড়বে।’
নুরুল হক সুজন আরও বলেন, “বিভিন্ন প্রযুক্তিগত পদ্ধতি ব্যবহার করে দেশের রেল স্টেশনকে আন্তর্জাতিক মানের করা হবে”।

Facebook Comments