ইয়াওমুস সাবত (শনিবার), ১৯ অক্টোবর ২০১৯

আবারও আসামের নাগরিকত্ব হারাচ্ছে ১ লাখ মানুষ, বেশিরভাগই মুসলমান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : নাগরিকত্ব হারাচ্ছে আসামের আরো এক লাখ মানুষ। ভারতের ওই রাজ্যের সর্বশেষ খসড়া নাগরিক তালিকা থেকে এক লাখেরও বেশি মানুষকে বাদ দেওয়া হয়েছে, এর মধ্যে বেশিরভাগই মুসলমান । বুধবার নতুন এই তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। নাগরিক পঞ্জির সংযোজিত বহিষ্কার খসড়া তালিকায় এক লাখ দুই হাজার মানুষের নাম প্রকাশিত হয়েছে। গত বছরের জুলাইতে প্রকাশিত তালিকায় তাদের নাম ছিল। কিন্তু এবার অন্তর্ভুক্তির জন্য অনুপযুক্ত হিসেবে বিবেচিত হয়েছেন তারা। আসামের নাগরিক তালিকা ১৯৫১ সালের পরে আর সংশোধন হয়নি। ওই তালিকায় রয়েছে তাদের আলাদা আলাদা করে বাড়ির ঠিকানায় চিঠি দিয়ে জানানো হবে। তবে বাদ পড়া ব্যক্তিরা পুনর্বিবেচনার আবেদনের সুযোগ পাবেন। ১১ জুলাইয়ের মধ্যে এনআরসি সেবা কেন্দ্রে তারা আবেদন করতে পারবেন। গত বছরের ৩০ জুলাই প্রকাশিত তালিকায় দেখা গিয়েছিল ৪০ লাখের বেশি মানুষের নাম নেই ওই তালিকায় সেটার মধ্যেও মুসলমানদের তালিক বেশী । এ নিয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া ও বিতর্ক দেখা দেয়। তালিকায় তাদের নাম পুনর্বিবেচনার জন্য আবেদন করেন কয়েক লাখ মানুষ। খসড়া তালিকায় ২ কোটি ৯০ লাখ মানুষের নাম রয়েছে। কিন্তু আবেদন করেছিল ৩ কোটি ২৯ লাখ মানুষের। সুপ্রিম কোর্টের তত্ত্বাবধানে আসামের নাগরিক পঞ্জি তৈরি হচ্ছে। চূড়ান্ত তালিকা ৩১ জুলাই প্রকাশিত হবে। তালিকায় নাম নেই এমন যে কোনও ব্যক্তি বহিষ্কারের অর্ডারের প্রত্যয়িত কপি নিয়ে বিচারের জন্য আবেদন করতে পারবে।

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : নাগরিকত্ব হারাচ্ছে আসামের আরো এক লাখ মানুষ। ভারতের ওই রাজ্যের সর্বশেষ খসড়া নাগরিক তালিকা থেকে এক লাখেরও বেশি মানুষকে বাদ দেওয়া হয়েছে, এর মধ্যে বেশিরভাগই মুসলমান । বুধবার নতুন এই তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে।

নাগরিক পঞ্জির সংযোজিত বহিষ্কার খসড়া তালিকায় এক লাখ দুই হাজার মানুষের নাম প্রকাশিত হয়েছে। গত বছরের জুলাইতে প্রকাশিত তালিকায় তাদের নাম ছিল। কিন্তু এবার অন্তর্ভুক্তির জন্য অনুপযুক্ত হিসেবে বিবেচিত হয়েছেন তারা।

আসামের নাগরিক তালিকা ১৯৫১ সালের পরে আর সংশোধন হয়নি। ওই তালিকায় রয়েছে তাদের আলাদা আলাদা করে বাড়ির ঠিকানায় চিঠি দিয়ে জানানো হবে। তবে বাদ পড়া ব্যক্তিরা পুনর্বিবেচনার আবেদনের সুযোগ পাবেন। ১১ জুলাইয়ের মধ্যে এনআরসি সেবা কেন্দ্রে তারা আবেদন করতে পারবেন।

গত বছরের ৩০ জুলাই প্রকাশিত তালিকায় দেখা গিয়েছিল ৪০ লাখের বেশি মানুষের নাম নেই ওই তালিকায় সেটার মধ্যেও মুসলমানদের তালিক বেশী । এ নিয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া ও বিতর্ক দেখা দেয়। তালিকায় তাদের নাম পুনর্বিবেচনার জন্য আবেদন করেন কয়েক লাখ মানুষ। খসড়া তালিকায় ২ কোটি ৯০ লাখ মানুষের নাম রয়েছে। কিন্তু আবেদন করেছিল ৩ কোটি ২৯ লাখ মানুষের।

সুপ্রিম কোর্টের তত্ত্বাবধানে আসামের নাগরিক পঞ্জি তৈরি হচ্ছে। চূড়ান্ত তালিকা ৩১ জুলাই প্রকাশিত হবে। তালিকায় নাম নেই এমন যে কোনও ব্যক্তি বহিষ্কারের অর্ডারের প্রত্যয়িত কপি নিয়ে বিচারের জন্য আবেদন করতে পারবে।

Facebook Comments