ইয়াওমুস সাবত (শনিবার), ০৬ জুন ২০২০

সোডিয়াম সালফেটের আমদানি নিষিদ্ধের দাবি

আর.এফ.এন নিউজ :

দেশীয় লবণ শিল্পকে বাঁচাতে সোডিয়াম সালফেটের আমদানি নিষিদ্ধের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ লবণ মিল মালিক সমিতি। কোনো কারণে তা সম্ভব না হলে সোডিয়াম সালফেটে শতভাগ আমদানি শুল্ক আরোপের দাবি তাদের। জনস্বাস্থ্য বিবেচনায় বাজারে ছড়িয়ে দেয়া সোডিয়াম সালফেট সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে কঠোর হওয়ার আহবানও জানিয়েছে সংগঠনটি। এছাড়াও ঘাটতি বিবেচনায় আগের মত মিলমালিকদের মাধ্যমে সমহারে লবণ আমদানির অনুমতি দেয়ার দাবিও তাদের।
গতকাল রাজধানীর হোটেল রয়েল প্যালেসে আয়োজিত ‘জনস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকারক বিষাক্ত ‘সোডিয়াম সালফেটে বাজার সয়লাব : ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে দেশীয় লবণ শিল্প’ শীর্ষক এক সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের পক্ষে এসব দাবি জানানো হয়। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পড়েন লবণ মিল মালিক সমিতির সভাপতি নুরুল কবির। এতে সংগঠনের অন্যান্য নেতারাও উপস্থিত ছিলেন।
লবণ মিল মালিক সমিতির সভাপতি বলেন, সোডিয়াম সালফেটের নামে ফিনিশড লবণ আমদানি, বৈষম্যমূলক শুল্কনীতি এবং বিসিকের তথ্য বিভ্রাটের কারণে দেশীয় লবণ শিল্প ও চাষীরা ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে। এরই মধ্যে তিন শতাধিক মিল বন্ধ হয়ে প্রায় লক্ষাধিক শ্রমিক বেকার হওয়ার পথে। আর সোডিয়াম সালফেট খাবার লবণ হিসেবে ব্যবহার করায় পুরোজাতি মারাত্মক স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে পড়বে।
সাংবাদিকদের অন্য এক প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও জানান, দেশের বিভিন্ন স্থানে লবণের নামে সোডিয়াম সালফেট ছড়িয়ে পড়ছে। ঢাকার আশেপাশের জেলাগুলোত তা প্রকট।
লিখিত বক্তব্যে নুরুল কবির আরও বলেন, চাহিদা বাড়লেও উৎপাদনের জমি কমায় প্রতিবছর দেশে লবণের উৎপাদন হ্রাস পাচ্ছে। অন্যদিকে, শিল্পকারখানায় লবণের চাহিদা বাড়ছে। বছরে ২০ লাখ টনের চাহিদার বিপরীতে উৎপাদন হয় সাড়ে ১৪ লাখ টন। ঘাটতি থাকলেও এ বছর লবণ আমদানির অনুমোদন দেয়া হয়নি। ফলে সোডিয়াম সালফেট সরাসরি প্যাকেটজাত করে বাজারজাত করছে অসাধুচক্র।

Facebook Comments