ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার), ১৩ নভেম্বর ২০১৯

পাঁচটি আসনে লড়াই করে পাঁচটিতেই জয়ী হয়েছেন ইমরান খান

পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদের (এনএ) নির্বাচনে হেভিওয়েট প্রার্থীদের কারও ঈর্ষান্বিত সাফল্য এবং কারও কারও বিপর্যয় হয়েছে। গত বুধবার এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

এবারের নির্বাচনে নিজের দলের মতো নিজেও সফল হয়েছেন পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের (পিটিআই) চেয়ারম্যান ইমরান খান। তিনি পাঁচটি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। পাকিস্তান নির্বাচন কমিশনের (ইসিপি) ঘোষিত ফলের বরাত দিয়ে শুক্রবার পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম ডন জানিয়েছে, ইমরান পাঁচটি আসনে লড়াই করে পাঁচটিতেই জয়ী হয়েছেন। তাঁর আসনগুলো হলো এনএ-৩৫ (বান্নু), এনএ-৫৩ (ইসলামাবাদ-২), এনএ-৯৫ (মিয়ানওয়ালি-১), এনএ-১৩১ (লাহোর-৯) ও এনএ-২৪৩ (করাচি পূর্ব-২)।

ইমরানের পর সবেচেয়ে বেশি আসনে নির্বাচন করেছিলেন নওয়াজ শরিফের ছোট ভাই শাহবাজ শরিফ। তিনি নওয়াজের গড়া দল পাকিস্তান মুসলিম লিগের (পিএমএল-এন) প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। শাহবাজ মোট চার আসনে নির্বাচন করে তিনটিতে হেরেছেন। জয় পেয়েছেন শুধু এনএ-১৩২ (লাহোর-১০) আসনে। তাঁর পরাজিত আসনগুলো হলো এনএ-২৪৯ (করাচি পশ্চিম-২), এনএ-৩ (সোয়াত-৩) ও এনএ-১৯২ (দেরা হাজি খান-৪)।

পাকিস্তান পিপলস পার্টির (পিপিপি) চেয়ারম্যান বিলাওয়াল জারদারি ভুট্টো এবারই প্রথম প্রার্থী হয়েছেন। তিনি তিনটি আসনে প্রার্থী হয়েছিলেন। জিতেছেন মাত্র একটিতে—এনএ-২০০ (লারকানা-১) আসনে। হেরেছেন এনএ-৮ (মালাকান্দ) ও এনএ-২৪৬ (করাচি দক্ষিণ-১) আসনে।

এ দিকে ইসিপির বরাত দিয়ে উর্দু পয়েন্ট ডটকম নামের একটি সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, আসিফ আলি জারদারি ১ লাখ ১ হাজার ৩৬২ ভোট পেয়ে এনএ-২১৩ নম্বর (বেনজিরাবাদ-১) আসনে জয় নিশ্চিত করেছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী গ্র্যান্ড ডেমোক্রেটিক অ্যালায়েন্সের প্রার্থী সরদার শের মোহাম্মদ রেন্দ বালুচ ভোট পেয়েছেন ৫৪ হাজার ৩৪৪ ভোট। আসিফ জারদারি একটি আসন থেকেই নির্বাচন করেছেন

Facebook Comments