ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার), ২০ নভেম্বর ২০১৯

একসময় চাঁদে যাওয়ার স্বপ্ন দেখতাম, এখন সেই সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আমরা একসময় চাঁদে যাওয়ার স্বপ্ন দেখতাম, এখন সেই সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। আমি আশা করি, আমাদের দেশের ছেলেমেয়েরা একদিন যাবে। দেশের মুখ উজ্জ্বল করবে।

আজ মঙ্গলবার রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক কনভেনশন সেন্টার থেকে বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইটের গাজীপুর এবং বেতবুনিয়া গ্রাউন্ড স্টেশন দুটি সজীব ওয়াজেদ জয়ের নামে নামকরণের ঘোষণাকালে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
উদ্বোধনকালে প্রধানমন্ত্রী গাজীপুর ও বেতবুনিয়া সজীব ওয়াজেদ উপগ্রহ ভূ-কেন্দ্রের কর্মকর্তাদের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সে কথা বলেন। এসময় কর্মকর্তারা গ্রাউন্ড স্টেশন দুটি সজীব ওয়াজেদের নামে নামকরণ করায় প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান।
বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক কনভেনশন সেন্টারের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সজীব ওয়াজেদ জয় ও মন্ত্রিসভার সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বেতবুনিয়া ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র স্থাপন করে গেছেন। আর সজীব ওয়াজেদ জয়ের পরামর্শে আমরা মহাকাশে স্যাটেলাইট পাঠিয়েছি।’
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশ যেভাবে এগিয়ে যাচ্ছে, এর গতিধারা যেন অব্যাহত থাকে। বাংলাদেশে এখন ৯ কোটি মানুষ ইন্টারনেট ব্যবহার করে। দেশে এখন ১৩ কোটি সিম ব্যবহার হচ্ছে। ভবিষ্যতে এর চাহিদা আরও বাড়বে।’
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট ভূমিকা রাখবে।’
স্যাটেলাইরটের মাধ্যমে দেশের মানুষ শিক্ষা ও স্বাস্থ্য থেকে শুরু করে সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা পাবে, যা মানুষের জীবনমানকে আরও উন্নত করবে।’
শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমরা এখন অনেক জায়গায় ডিজিটাল সেন্টার করে দিয়েছি। এর সুবাদে অনেক বেকার মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।’
শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমি কম্পিউটার চালানো শিখেছি, আমার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়ের কাছ থেকে। আর বাংলা টাইপ করা শিখেছি, তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বারের কাছ থেকে।

Facebook Comments