ইয়াওমুল জুমুআ (শুক্রবার), ২২ নভেম্বর ২০১৯

জিএমও ফুড ১০০% ক্ষতি কারক ! জিএমও ফুডকে ”না বলুন”

 

* গর্ভবতী নারী খেলে তার সন্তানের জন্মগত ত্রুটি (birth defects) ঘটতে পারে ।

* যে মানুষ কম পরিমাণ চর্বিযুক্ত খাবার গ্রহণ করে, সে এ ধরনের চাল খেলে তার শরীরের বিষাক্ততা দেখা দিতে পারে

*যে মানুষ ডায়রিয়ায়, ক্ষুদ্রান্ত্রেও প্রদাহসহ অন্যান্য রোগে আক্রান্ত, সে এ ধরনের চাল খেলে শরীরের নানাবিধ বিষাক্ততা দেখা দিতে পারে।

* হজম প্রক্রিয়ায় বিটা ক্যারোটিন (গোল্ডেন রাইসে আছে) পরিবর্তিত হয়ে রেটিনল বা রেটিনোইক এসিড তে রূপান্তরিত হতে পারে, যা চর্বি বা plasma তে জমা হতে পারে কিন্তু এর প্রভাব বিষাক্ত এবং প্রজনন স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকারক হতে পারে।

*দেহের এন্টিবডি বা উপকারী ব্যাকটেরিয়ার ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে

*প্রজনন ক্ষমতা হ্রাস

* শিশুর জন্মগত ত্রম্নটি

* কিডনিতে সমস্যা

* যকৃতে সমস্যা

*প্রজনন স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকারক হতে পারে

*তলপেট, নাকে ব্যথা, বমি বমি ভাব এবং শিশুদের ঋড়হঃধহবষষব সৃষ্টি করতে পারে

* অন্যদিকে দীর্ঘমেয়াদি বিষাক্ততা হাড় ও হাড়ের সংযোগস্থলগুলোর ব্যথা সৃষ্টি, চুল পড়া, শুষ্কতা জ্বর, ওজন হ্রাস, উচ্চ রক্তচাপ, ঠোঁটে ফাটলের মতো রোগ সৃষ্টি করতে পারে।

* শিশুর জন্মগত ত্রম্নটি, কিডনিতে সমস্যা, যকৃতে সমস্যা

* প্রজনন ক্ষমতা হ্রাস পেতে পারে।

* গর্ভবতী নারী খেলে তার সন্তানের জন্মগত ত্রুটি (birth defects) ঘটতে পারে ।

* যে মানুষ কম পরিমাণ চর্বিযুক্ত খাবার গ্রহণ করে, সে এ ধরনের চাল খেলে তার শরীরের বিষাক্ততা দেখা দিতে পারে। ধারাবহিক,,,,,,,২

ডা.আফান্দী

 

Facebook Comments