ইয়াওমুস সাবত (শনিবার), ০৭ ডিসেম্বর ২০১৯

জিএমও ফুড ১০০% ক্ষতি কারক। জিএমও ফুডকে ”না বলুন”

* যে মানুষ ডায়রিয়ায়, ক্ষুদ্রান্ত্রেও প্রদাহসহ অন্যান্য রোগে আক্রান্ত, সে এ ধরনের চাল খেলে শরীরের নানাবিধ বিষাক্ততা দেখা দিতে পারে।

* হজম প্রক্রিয়ায় বিটা ক্যারোটিন (গোল্ডেন রাইসে আছে) পরিবর্তিত হয়ে রেটিনল বা রেটিনোইক এসিড তে রূপান্তরিত হতে পারে, যা চর্বি বা plasma তে জমা হতে পারে কিন্তু এর প্রভাব বিষাক্ত ।

* ভিটামিন-এ স্বাস্থ্যের জন্য প্রয়োজনীয় হলেও উচ্চ মাত্রায় ভিটামিন এ হাইপার-ভিটামিনোসিস এবং tera logenicity ভিটামিন-এ জনিত বিষাক্ততা তলপেট, নাকে ব্যথা, বমি বমি ভাব এবং শিশুদের Fontanelle সৃষ্টি করতে পারে।

* দীর্ঘমেয়াদী বিষাক্ততা হাড় ও হাড়ের সংযোগস্থলগুলোর ব্যথা সৃষ্টি, চুল পড়া, শুষ্কতা জ্বর, ওজন হ্রাস, উচ্চ রক্তচাপ, ঠোঁটে ফাটলের মতো রোগ সৃষ্টি করতে পারে।

উল্লেখ্য সিজজেন্টা কোম্পানির চেয়্যারম্যান হচ্ছে জে মার্টিন টেইলর, যে বিশ্বনিয়ন্ত্রক ইহুদীবাদীদের অন্যতম সদস্য (বিল্ডারবার্গ মেম্বার)। আরো উল্লেখ্য, এই গোল্ডেন রাইসের মাধ্যমে শুধু শারীরিক ক্ষতি নয়, বাংলাদেশে পুরো ধানবীজ সিনজেন্টার হাতে চলে যাবে, যেখান থেকে বেড়িয়ে আসা বাংলাদেশের কৃষকের পক্ষে আর সম্ভব নয়।

আমার যতদূর মনে পড়ে, ২০১৪-১৫ সালে এ গোল্ডেন রাইসের বিরুদ্ধে ফিল্ড পর্যায়ে ব্যাপক লেখালেখি ও আন্দোলন হয়েছিলো। (যদিও মেইনস্ট্রিম মিডিয়া তা এড়িয়ে যায়)

লেখাগুলো পড়তে পারেন-

ক) গোল্ডেন রাইসের বাজারজাতকরণের প্রচেষ্টা বন্ধ করুন (http://bit.ly/2D2LvqN)
খ) ‘গোল্ডেন রাইস’ কতটা গোল্ডেন? (http://bit.ly/2Evy3ZK, http://bit.ly/2qZxupd)
গ) ‘গোল্ডেন রাইস চাষীদের অধিকার কেড়ে নেবে’ (http://bit.ly/2AOuxHE)
ঘ) জেনেটিক্যালি মডিফায়েড ফুড : গোল্ডেন রাইস : কৃষিতে করপোরেট আগ্রাসন (http://bit.ly/2msghzW)
ঙ) ২০১৫ সালে আমার লেখা, কিন্তু আমার পেইজ বন্ধ হওয়াতে সার্চ দিয়ে অন্য পেইজে পেলাম- http://bit.ly/2qXepUk

এত লেখালেখির পরও ২০১৭ সালে খবর এসেছে ২০১৮ সালে গোল্ডেন রাইস বাজারে আসছে। এটা নিয়ে কিছুদিন আগে কৃষকরাও আন্দোলন করেছে (http://bit.ly/2DnTxIE)। কিন্তু তারপরও সরকার এ প্রজেক্ট থেকে পিছু হটছে না।

* রেটিনোইক এসিড তে রূপান্তরিত হতে পারে

* তলপেট, নাকে ব্যথা, বমি বমি ভাব এবং শিশুদের Fontanelle সৃষ্টি করতে পারে

*  দীর্ঘমেয়াদী বিষাক্ততা হাড় ও হাড়ের সংযোগস্থলগুলোর ব্যথা সৃষ্টি, চুল পড়া, শুষ্কতা জ্বর, ওজন হ্রাস, উচ্চ রক্তচাপ, ঠোঁটে ফাটলের মতো রোগ সৃষ্টি করতে পারে।

* জিএম খাদ্য খেলে প্রজননক্ষমতা হ্রাস, শিশুর জন্মগত ত্রুটি, কিডনিতে সমস্যা, যকৃতে সমস্যা, ক্যান্সার ইত্যদি জটিল রোগ হতে পারে

* বাংলাদেশে জিএমও ফুড ব্যবহার হলেও সেটা প্যাকেটের গায়ে লেখা থাকে না। অথচ বর্হিবিশ্বে জিএমও ফুড থাকলে তা প্যাকেটের গায়ে স্পষ্ট লেখা থাকে, ফলে অধিকাংশ মানুষ আগে থেকেই সচেতন হতে পারে ।

ধারাবাহিক……৩

ডা.আফান্দী

Facebook Comments