ইয়াওমুস সাবত (শনিবার), ১১ এপ্রিল ২০২০

রিট খারিজ: সিম নিবন্ধনে তথ্য সংগ্রহে সতর্কতার নির্দেশ

বায়োমেট্রিক বা আঙ্গুলের ছাপ পদ্ধতিতে সিম নিবন্ধনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে দায়ের করা একটি রিট খারিজ করে দিয়েছে হাইকোর্ট। ফলে এ পদ্ধতিতে সিম নিবন্ধন বৈধ বলে জানিয়েছেন আইনজীবীরা। তবে সিম নিবন্ধনে তথ্য সংগ্রহে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার জন্য সরকারকে নির্দেশ দিয়েছে আদালত। মঙ্গলবার বিচারপতি সৈয়দ মোহাম্মদ দস্তগীর হোসেন এবং বিচারপতি এ কে এম সাহিদুল হকের সমেন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এই রায় দেন।

এর আগে গত রোববার বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে সিম নিবন্ধনের কার্যক্রম নিয়ে করা রিটের ওপর চূড়ান্ত শুনানি শেষে আজ রায়ের দিন ধার্য করেছিল হাইকোর্ট। এই রিটের পক্ষে শুনানিতে অংশ নেন অনিক আর হক। তার সঙ্গে ছিলেন ব্যারিস্টার জ্যোতির্ময় বড়ুয়া।

মোবাইল অপারেটর রবির পক্ষে ছিলেন ফাতেমা আনোয়ার। আর রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল মুরাদ রেজা, সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল অরবিন্দ কুমার রায় ও জেসমিন সুলতানা। এর আগে গত ১৪ মার্চ বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে সিম নিবন্ধন কার্যক্রম কেন অবৈধ নয় তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন হাইকোর্ট।

রুলে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) চেয়ারম্যান, স্বরাষ্ট্রসচিব, আইনসচিব, প্রধান নির্বাচন কমিশনার, জাতীয় পরিচয়পত্র অনুবিভাগের মহাপরিচালক (ডিজি), মোবাইল ফোন অপারেটরগুলোসহ ১৩ জনকে জবাব দিতে বলা হয়। সে অনুযায়ী, গত ৩ এপ্রিল শুনানি হয়। এরপর গত বুধবার দ্বিতীয় দিনের শুনানি শেষ করে আদেশের দিন ঠিক করেন আদালত। এর আগে গত ৯ মার্চ বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে সিম নিবন্ধন কার্যক্রমের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে এসএম এনামুল হক নামের এক আইনজীবী হাইকোর্টে রিট আবেদন করেন।

উল্লেখ্য, গত ১৬ ডিসেম্বর সিম নিবন্ধনে বায়োমেট্রিক পদ্ধতি চালু করে সরকার। এরপর থেকে আঙুলের ছাপ না দিয়ে নতুন সংযোগ কেনা যাচ্ছে না। পাশাপাশি বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে পুরনো সিমের পুনঃনিবন্ধন চলছে, যা এপ্রিলের মধ্যে শেষ করার পরিকল্পনার কথা বলে আসছেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম।

Facebook Comments