ইয়াওমুস ছুলাছা (মঙ্গলবার), ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০

‘২০৪০ সালে তেলচালিত গাড়ি হবে ৯৪%’

প্রযুক্তির কল্যাণে দিন দিন জনপ্রিয়তা কমছে জ্বালানি তেলচালিত গাড়ির। বিশ্বের বড় বড় কোম্পানির লক্ষ্য এখন বাজারে বিদ্যুৎচালিত নতুন নতুন গাড়ি আনা। কিন্তু এমন কোম্পানির জন্য হতাশার বাণী শোনাচ্ছে আন্তর্জাতিক তেল রপ্তানিকারকদের প্রতিষ্ঠান ওপেক।

প্রতিষ্ঠানটি বলছে, আপনি যদি তেসলা বা বিকল্প জ্বালানিচালিত গাড়ি সমর্থন করে থাকেন। তবে এই প্রতিবেদন নিঃসন্দেহে আপনাকে হতাশ করবে।

ওপেকের বরাত দিয়ে সম্প্রতি সিএনএনের এক খবরে বলা হচ্ছে, ২০৪০ সাল বা আগামী ২৫ বছরে জ্বালানি তেলচালিত গাড়ির সংখ্যা ৯৪ শতাংশ হবে।
বাৎসরিক এক প্রতিবেদনে প্রতিষ্ঠানটি জানাচ্ছে, প্রযুক্তিগত উন্নয়ন ছাড়া ব্যাটারিচালিত ইলেকট্রিক গাড়ি অদূর ভবিষ্যতে উল্লেখযোগ্য কোনো জনপ্রিয়তা অর্জন করতে পারবে না। এই সময়ে এ ধরনের গাড়ি বিক্রির পরিমাণ হতে পারে মাত্র ১ শতাংশ। জ্বালানি নেওয়ার জন্য পর্যাপ্ত স্টেশনের অভাব ও অতিরিক্ত ব্যয়বহুল হওয়ার কারণে এ সময়ে গ্যাস ও হাইড্রোজেনসহ বিকল্প জ্বালানিচালিত গাড়ির চাহিদা হবে একেবারেই সামান্য।

খবরে আরও বলা হচ্ছে, যাত্রীবাহী গাড়ি দিন দিন আরও জ্বালানি সক্ষম হয়ে উঠছে। পাশাপাশি জ্বালানি তেলচালিত হাইব্রিড গাড়ি বিক্রিও উল্লেখযোগ্য হারে বাড়ছে। আর সে কারণে আগামী ২৫ বছরে রাস্তায় গাড়ির সংখ্যা দ্বিগুণের চেয়ে বেশি হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। আর এমনটি হলে গাড়িতে তেলের চাহিদা অনেকগুণ বেড়ে যাবে।

ওপেকের প্রতিবেদনে বলা হয়, বিশ্ব তেল চাহিদার ৪০ শতাংশের বেশি আসে রাস্তার গাড়ি থেকে। আগামী ২৫ বছরে এই অবস্থার পরিবর্তন হবে না বলে ধারণা করা হচ্ছে। এ সময়ে হাইড্রোজেন সেল, সিএনজি এবং বিকল্প জ্বালানিচালিত গাড়ির জনপ্রিয়তা তেমন থাকবে না।

ওপেক বহির্ভূত দেশ হতে প্রত্যাশার তুলনায় কম তেল উৎপাদন ও বিশ্বে চাহিদা বেড়ে গেলে বছরে দাম ব্যারেলে ৫ ডলার করে বাড়তে পারেও ধারণা করছে ওপেক।

Facebook Comments