খামিছ (বৃহস্পতিবার), ৩০ মে ২০২৪

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সরকারিভাবে শিক্ষার্থীদের সরকারের দেয়া বিস্কুটে সাবানের গন্ধ

আর.এফ.এন নিউজ : 

বুধবার বাগেরহাট জেলার মোড়েলগঞ্জ উপজেলার ১৯নং ভাটখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সরকারিভাবে শিক্ষার্থীদের মাঝে প্রতিদিনের মত বিতরণ করা হয়েছিল বিস্কুট। তবে সেদিনের সেই বিস্কুট খেতে পারেনি শিক্ষার্থীরা। বিস্কুটের মধ্যে সাবানের গন্ধ পাওয়া শিক্ষার্থীরা তা ফেলে দেয়। কয়েকজন শিক্ষার্থী কয়েকটি বিস্কুট খেলেও তদের পেটে ব্যথাসহ বিভিন্ন সমস্যা দেখা দেয়।

সরকারের প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর দারিদ্র পীড়িত এলাকায় স্কুল ফিডিং কর্মসূচির আওতায় প্রাথমিক স্কুলে (উচ্চ শক্তিসম্পন্ন বিস্কুট) বিস্কুট বিতরণ করা হয়। সরকারি এ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে আর আর এফ নামে একটি বেসরকারি সংস্থা।

ওই ঘটনার পর স্কুলের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক বাস্তবায়নকারী সংস্থা আর আর এফ এর কর্মকর্তাকে অবহিত করেন। সংস্থার ঐ কর্মকর্তা গন্ধ বিস্কুট বাদ দিয়ে অন্য বিস্কুট বিতরণ করতে বলেন।

বিদ্যালয়ের ৪র্থ শ্রেণির ছাত্র হাসিব বলে, ‘বিস্কুট মুখে দেয়ার সাথে সাথেই সাবানের গন্ধ এবং একটু একটু পেটে ব্যথা করছে।’

ওই বিদ্যালয়ের ৫ম শ্রেণির ছাত্র রাকিব বলে, বিস্কুটের প্যাকেট খুলে মুখে দেয়ার সাথে সাথে সাবানের গন্ধ বের হয়েছে। একটু বিস্কুট খাওয়ার পর পেটে ব্যথা শুরু করছে। খেতে না পেরে বিস্কুট ফেলে দিয়েছি।

 

বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. আতিয়ার রহমান বলেন, প্রতিদিনের মত আজ স্কুলে ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝে বিস্কুট বিতরণ করা হয়। ছাত্র-ছাত্রীরা বিস্কুটে সাবানের গন্ধ পেয়ে যার যার বিস্কুট স্কুল মাঠে ফেলে দেয় এবং যে সব ছাত্র-ছাত্রীরা কিছু খেয়েছে, তাদের পেটে ব্যথাসহ বিভিন্ন সমস্যা দেখা দেয়।

তিনি বলেন, এ ঘটনার সাথে সাথেই উপজেলা শিক্ষা অফিস এবং বাস্তবায়নকারী সংস্থা আর আর এফ এর কর্মকর্তা তাপস কুমারকে অবহিত করি। আর আর এফ এর কর্মকর্তা তাপস কুমার গন্ধ বিস্কুট বাদ দিয়ে অন্য বিস্কুট বিতরণ করতে বলেছেন।

স্কুল ফিডিং কর্মসূচির আওতায় প্রাথমিক স্কুলে (উচ্চ শক্তিসম্পন্ন বিস্কুট) বিস্কুট বিতরণকারী সংস্থা আর আর এফ এর মোড়েলগঞ্জের দৈবজ্ঞহাটী শাখার ফিল্ড মনিটরিং অফিসার তাপস কুমার বলেন, বিস্কুটে কিছুটা সমস্যা ছিল, আমাকে ঐ স্কুল থেকে জানানোর পর, গন্ধ বিস্কুট বাদ দিয়ে অন্যে বিস্কুট বিতরণ করতে বলেছি।

মোড়েলগঞ্জ উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার আশিষ কুমার নন্দি বলেন, আমাকে কেউ এ ব্যাপারে অবহিত করেনি। তবে এখনই দেখছি ঘটনাটি কি?

Facebook Comments Box