সাবত (শনিবার), ০২ মার্চ ২০২৪

ফের পবিত্র কুরআন শরীফ পদদলিত করে ছেঁড়া হল নেদারল্যান্ডসে, পুড়ানোর চেষ্টা স্টকহোমে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: নেদারল্যান্ডের রাজধানী দ্য হেগে একটি চরম ইসলামবিদ্বেষী দলের বিক্ষোভের সময় একজন চরমপন্থী ডাচ রাজনীতিক পবিত্র কুরআন শরীফ পদদলিত ও ছিড়ে টুকরা টুকরা করেছে। গত শুক্রবার তুরস্কের দূতাবাসে সামনে এ কুরআন শরীফ অবমাননার ঘটনা ঘটে। সূত্র : এবিসি নিউজ

ডেনমার্কের চরম ডান ও ইসলাম বিরোধী আন্দোলন পেজিডা (প্যাট্রিয়টিক ইউরোপিয়ান্স এগেইনষ্ট ইসলামাইজেশন অব ওয়েস্ট) এর নেদারল্যন্ড শাখার প্রধান এডউইন ওয়াগেন্সভেল্ড পবিত্র কুরআন শরীফ ছিড়ে ফেলে।

একই দিনে সুইডেনের পুলিশ রাজধানী স্টকহোমে ইরানি দূতাবাসের বাইরে শুক্রবার কুরআন শরীফ পুড়ানোর চেষ্টার সময় একজন পাল্টা প্রতিবাদকারী অগ্নিরোধক ে¯প্র করে। পুলিশ এ সময় এ নারীকে গ্রেপ্তার করেছে।

ওই নারী কুখ্যাত সুইডিশ কুরআন শরীফ অবমাননাকারী সালওয়ান মমিকার দিকে ছুটে যেয়ে আগুন নির্বাপক পাউডার ে¯প্র করে। এ সময় পুলিশ ছুটে এসে অজ্ঞাত পরিচয় এ নারীকে আটক করে নিয়ে যায়। পুলিশের কাজে বাধা সৃষ্টির সন্দেহে এ নারীকে আটক করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

দ্য গেগে কুরআন শরীফ অবমাননার বিরোধী বহু পাল্টা বিক্ষোভকারী বিক্ষুব্ধ হয়ে উঠেন। ডাচ সরকার এ ঘটনার আগেই কুরআন শরীফ অবমাননার বিক্ষোভের নিন্দা করে। তবে যুক্তি দেখায় যে, কুরআন শরীফ পদদলিত ও ছেড়া রোধ করার কোন আইনি ক্ষমতা সরকারের হাতে নেই।

এডউইন ওয়াগেন্সভেল্ড এর জঘন্য কাজে তাকে সহায়তা করে আরও দুজন চরম—ডান ওলন্দাজ। পাল্টা বিক্ষোভকারীরা এ সময় তাদের প্রতি পাথর নিক্ষেপ করেন। তারা কুরআন শরীফ অবমাননাকারীদের ধাওয়ার করার চেষ্টা করলে ঢাল ও লাঠি সজ্জিত ২০ জনের পুলিশ বাহিনী তাদেরকে বাধা দেয়।

নেদারল্যান্ডে তুর্কী বংশোদ্ভুত বিচার মন্ত্রী ডিলান ইয়েজিলগোজ গত শুক্রবার সকালে বলেছে, ‘একেবারে অসভ্য ও বেদনাদায়ক’ ঘটনা বলে বর্ণনা করেছে। এডউইন ওয়াগেন্সভেল্ড গত জানুয়ারি মাসেও দেশটির পার্লামেন্ট ভবনের বাইরে এমনভাবে কুরআন শরীফ ছিড়েছিলো কিন্তু এজন্য তাকে বিচারের সম্মুখীন করা হয়নি।

ইউরোপের বিভিন্ন দেশে স¤প্রতি কুরআন শরীফ অবমাননার অনেক ঘটনা ঘটেছে। জুলাইয়ের শেষদিকে সুইডিশ পার্লামেন্টের বাইরে কুরআন শরীফ পুড়ানো হয়। এ ঘটনায় ২ জন জড়িত ছিল। ডেনমার্কে এ বছর অনুরূপ কুরআন শরীফ পুড়ানোর ঘটনা ঘটে। এসব ঘটনার বিরুদ্ধে মুসলিম বিশ্বে ব্যাপক বিক্ষোভ ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।

Facebook Comments Box