সাবত (শনিবার), ১৩ জুলাই ২০২৪

নির্বাচন নিয়ে সুপ্রিমকোর্ট বার কাউন্সিলে ঐক্যফ্রন্টের গণশুনানি

নিজস্ব প্রতিবেদক : পূর্বঘোষিত ২৪ ফেব্রুয়ারির পরিবর্তে আগামী শুক্রবার (২২ ফেব্রুয়ারি) গণশুনানি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট। ওইদিন সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি মিলনায়তনে এ গণশুনানি হবে।
আজ মঙ্গলবার সন্ধ্যায় মতিঝিলে স্টিয়ারিং কমিটির বৈঠকের পর ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতা ড. কামাল হোসেন এ সিদ্ধান্তের কথা জানান।
শুনানিতে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী প্রার্থীরা তাদের অভিজ্ঞতা তুলে ধরবেন।
ড. কামাল হোসেন বলেন, আমাদের গণশুনানি ছিলো ২৪ তারিখ। তার পরিবর্তে এটি আগামী ২২ তারিখ শুক্রবার হবে। সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির মিলনায়তনে গণশুনানি সকাল ১০টায় শুরু হবে এবং বিকাল ৪/৫টা পর্যন্ত চলবে। এটাই আজকের বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছে।
দুইদিন কেনো এগিয়ে আনা হলো— প্রশ্ন করা হলে ড. কামাল হোসেন বলেন, কোথাও জায়গা পাওয়া যাচ্ছিলো না। যেহেতু আমরা আইনজীবী সমিতির মিলনায়তনটি পেয়েছি ২২ তারিখ, সেজন্য গণশুনানির তারিখ এগিয়ে আনা হয়েছে।
এই গণশুনানি থেকে কী অর্জন করবে ঐক্যফ্রন্ট— এমন প্রশ্নের জবাবে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি ড. কামাল হোসেন বলেন, সংবিধানে লেখা আছে, জনগণ ক্ষমতার মালিক। সেদিন জনগণ জানতে পারবে একাদশ নির্বাচনে কী ঘটেছিলো, তার বাস্তব অভিজ্ঞতা প্রার্থীরা তুলে ধরবেন।
গণশুনানিতে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শরিক দল বিএনপি, জেএসডি, গণফোরাম, কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ, নাগরিক ঐক্য ছাড়াও বাম ও গণতান্ত্রিক যেসব দল নির্বাচনে অংশ নিয়েছে তাদের আমন্ত্রণ জানানো হবে বলে জানান জেএসডির সভাপতি আ স ম আবদুর রব।
আ স ম আবদুর রব বলেন, স্যার যেটা বলেছেন ঐক্যফ্রন্টের মধ্যে সকল প্রার্থী, প্লাস বাইরে বাম ঐক্যজোটসহ প্রগতিশীল দলের যারা অংশগ্রহণ করেছেন তাদের দাওয়াত দেওয়া হয়েছে। ঐক্যফ্রন্টের মধ্যে যদি অন্য কোনো দল থাকে, ঐক্যফ্রন্টের মধ্যে যেসব দল আছে তাদের এবং বাম গণতান্ত্রিক প্রগতিশীল যেসব দল আছে তাদের আমন্ত্রণ জানানো হবে।
এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন- বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খান, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আবদুস সালাম আজাদ, জেএসডির আ স ম আবদুর রব, গণফোরামের সুব্রত চৌধুরী, মোস্তফা মোহসীন মন্টু, জগলুল হায়দার আফ্রিক, কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের হাবিবুর রহমান তালুকদার খোকা, নাগরিক ঐক্যের মাহমুদুর রহমান মান্না, শহিদুল্লাহ কায়সার, বিকল্পধারার অধ্যাপক নুরুল আমিন ব্যাপারী, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী প্রমুখ। বিএনপির মহাসচিব ও স্টিয়ারিং কমিটির সদস্য মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সোমবার দেশে ফিরলেও বৈঠকে তিনি উপস্থিত ছিলেন না।

Facebook Comments Box